Saturday, August 29, 2026
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
HomeCampusবাকৃবি রোভার স্কাউট এর নতুন কমিটি : সভাপতি সজীব হোসেন শান্ত, সম্পাদক...

বাকৃবি রোভার স্কাউট এর নতুন কমিটি : সভাপতি সজীব হোসেন শান্ত, সম্পাদক ফুয়াদ বিন আমিন

Print Friendly, PDF & Email

বাকৃবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) রোভার স্কাউট গ্রুপের ২০২৬-২৭ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি রোভার মো: সজিব হোসেন শান্ত এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন রোভার ফুয়াদ বিন আমিন।
নতুন কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড (পিআরএস) ও কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড (সিডিআরএস) পাওয়া রোভারদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে চারটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ড. মো: জহিরুল আলম নতুন কমিটি ঘোষনা করেন।

নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি রোভার হারুন অর রশিদ ,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রোভার নূরজাহান মুনা ও রোভার সাবরিনা কামাল সাদিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক , রোভার মেহজাবিন মুরশেদ এবং সহসাংগঠনিক সম্পাদক রোভার হোছাইন মো. মুহ-তারিম ছোয়াদ, কোষাধ্যক্ষ রোভার মো. নাসিমুল হক,দপ্তর সম্পাদক রোভার মোছা. নওশীন জাহান ও রোভার তামজিদ হাসান,স্টোর ইনচার্জ রোভার মো. শাফিউল ইসলাম ও রোভার তৃষা মিত্র,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রোভার আলিনুর রহমান, প্রোগ্রাম সম্পাদক রোভার আলিনূর রহমান ও রোভার মো. রোমান মিয়া,মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক রোভার তাহসিন রজত ও রোভার মোঃ এহসানুল হক,ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সম্পাদক রোভার শিমুল দে ও রোভার ইজাজুল মোস্তফা তামজীদ,শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক রোভার সারা মনি ও রোভার সৈয়দ তাহমিদ আরজু,তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি সম্পাদক রোভার নুজহাত ফারিহা অটি,সাংস্কৃতিক সম্পাদক রোভার সিহাব আহম্মেদ, রোভার ফারহান তানভীর লাবীব ও রোভার ফারদিন শাহরিয়ার সামি। এছাড়া সমাজকল্যাণ সম্পাদক হয়েছেন রোভার বিবি খাদিজা আক্তার ভূঁঞা,ক্রীড়া সম্পাদক রোভার তাহমিদ উদয় ও রোভার তারিকুজ জামান সানি,ত্রাণ ও দুর্যোগ সম্পাদক রোভার মেহজাবীন তানহা ও রোভার মোছাঃ হুমায়রা মনি,গণসংযোগ সম্পাদক রোভার দ্বীপ কুমার প্রামাণিক ও রোভার জুনায়েদ আনজুম। এছাড়াও কার্যকরী সদস্য হয়েছেন রোভার গাজী ওবায়দুর রহমান আলিফ, রোভার মোঃ নাঈমুর ইসলাম নাঈম, রোভার ফাঈমা সুলতানা চৌধুরী রিহা, রোভার নিলয় বোস, রোভার নাঈম সালেহীন আরাফ, রোভার যুবাইর আমিন, রোভার মোঃ আল-আরাফাত রিমন ও রোভার মোঃ হাবিব আহমেদ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রোভার স্কাউট গ্রুপের সভাপতি ও ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিন্ডিকেট সদস্য মো. রাকিব উদ্দিন, প্রক্টর প্রফেসর ড. মো: আবদুল আলীম, সহযোগী ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. শহিদুল ইসলাম এবং স্কাউটার্স কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক ড. ছাদেকা হক, গ্রুপ সম্পাদক ড. মো: জহিরুল আলম। এ সময় রোভার স্কাউটের অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

সংবর্ধনা প্রদান পর্বে সাতজন সিনিয়র রোভারমেট এবং পাঁচজন রোভারকে বেস্ট রোভারকে সম্মাননা ও পুরস্কার দেওয়া হয়। এ বছর রোভার অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হয়েছেন মো. সাগর আল হাসান ও আইরিন রহমান প্রমি। এভারগ্রিন রোভার অব দ্য ইয়ার হয়েছেন নাফি-উজ্জ আমান এবং আরএসএল অব দ্য ইয়ার হয়েছেন ড. মো. জহিরুল আলম।

স্কাউটিংয়ের সর্বোচ্চ জাতীয় পুরস্কার প্রেসিডেন্সিয়াল রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড (পিআরএস) পেয়েছেন রোভার মো. মিলন হোসেন। সমাজ উন্নয়ন ও সেবামূলক কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের জন্য কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড (সিডিআরএস) পেয়েছেন রোভার মো. সাগর আল হাসান, রোভার আইরিন রহমান প্রমি ও রোভার খাদিজা চৌধুরী লিয়া। পরে নতুন ক্রু ইন কাউন্সিল ২০২৬-২৭-এর রোভার ইউনিট ও গার্ল ইন-রোভার ইউনিটের সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রক্টর মো. আবদুল আলীম বলেন, ‘আমাদের ছেলেমেয়েরা একাডেমিকভাবে অনেক চাপের মধ্যে থাকে। এর মধ্যেও তারা বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকে, যা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। বিশেষ করে রোভার স্কাউটরা পড়াশোনার পাশাপাশি সমাজ ও দেশকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও তারা সার্বিক সহযোগিতা করে। এ বছরও একজন প্রেসিডেনশিয়াল রোভার স্কাউট পুরস্কার পেয়েছে, এটি খুবই আনন্দের বিষয়। নতুনদের বড় ভাইবোনদের কাছ থেকে অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ নিয়ে আগামীতে এই সাফল্য ধরে রাখতে হবে।’

রোভার স্কাউট গ্রুপের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, ‘রোভার স্কাউটের পক্ষ থেকে আমাকে শপথ বাক্য পাঠ করিয়ে তাদের একটি অংশ হিসেবে গ্রহণ করার জন্য ধন্যবাদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো প্রশাসনিক আয়োজনে রোভার স্কাউটের সহযোগিতা প্রশংসনীয়। তবে ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠার পরও তাদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এখনো নির্দিষ্ট কোনো কক্ষ নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে নতুন অবকাঠামো নির্মাণ হচ্ছে। তাই বর্তমানে যেখানে কার্যক্রম চলছে, সেই জায়গাটি ধরে রেখে সামনে ভালো কিছু করার আশা করতে পারি।’

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments