Monday, July 27, 2026
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
HomeCampusবাকৃবিতে স্বল্পমূল্যের হাঁসের প্লেগ টিকা উদ্ভাবন প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালা

বাকৃবিতে স্বল্পমূল্যের হাঁসের প্লেগ টিকা উদ্ভাবন প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালা

Print Friendly, PDF & Email

বাকৃবি প্রতিনিধি : বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) স্থানীয় হাঁসের প্লেগ ভাইরাস ব্যবহার করে স্বল্পমূল্যের হাঁসের প্লেগ টিকা উদ্ভাবন বিষয়ক গবেষণা প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি গ্যালারিতে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের (এলডিডিপি) অর্থায়নে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কমিটির (সিএএসআর) সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালক অধ্যাপক ড. এম. হাম্মাদুর রহমান, ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ড. শামসাদ জাহান শিরাজী, এলডিডিপির চিফ টেকনিক্যাল কোঅর্ডিনেটর ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের প্রধান গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন মাইক্রোবায়োলজি ও হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ও প্রকল্পের সহ-গবেষক ড. মোহাম্মদ ফেরদৌসুর রহমান খান।

প্রকল্পের প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান গবেষণা কার্যক্রমের অগ্রগতি, অর্জন এবং স্থানীয় হাঁসের প্লেগ ভাইরাস ব্যবহার করে স্বল্পমূল্যে কার্যকর টিকা উদ্ভাবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি জানান, হাঁসের প্লেগ অত্যন্ত প্রাণঘাতী একটি রোগ, যেখানে মৃত্যুহার ৪০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। গবেষণার মূল লক্ষ্য ছিল অ্যাটেন্যুয়েটেড ভ্যাকসিন তৈরি। তবে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের (ডিএলএস) অনুরোধে ইনঅ্যাক্টিভেটেড ও ডিএনএ ভ্যাকসিন নিয়েও গবেষণা করা হয়। ইনঅ্যাক্টিভেটেড ভ্যাকসিনে আশানুরূপ ফল না মিললেও ডিএনএ ও ওরাল ভ্যাকসিনে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। বর্তমানে ভ্যাকসিনটি মাঠপর্যায়ের পরীক্ষার অপেক্ষায় রয়েছে। সব প্রক্রিয়া শেষ করে এটি খামারিদের হাতে পৌঁছাতে আরও এক থেকে দেড় বছর সময় লাগতে পারে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভ্যাকসিনটি ৯০ শতাংশের বেশি সুরক্ষা দেবে এবং ডিএলএসের মাধ্যমে খামারিদের কাছে পৌঁছে দেশের হাঁস পালন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম বলেন, ভাইরাসজনিত এ রোগে আক্রান্ত হাঁসকে চিকিৎসার মাধ্যমে বাঁচানো কঠিন। তাই টিকাই সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান ও স্বাস্থ্যবিধি বিভাগের ভ্যাকসিন গবেষণার দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় ডাক প্লেগ ভাইরাস ব্যবহার করে স্বল্পমূল্যের টিকা উদ্ভাবনের এ গবেষণা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করেছে। ভবিষ্যতে ভাইরাসের পরিবর্তনশীল বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় নিয়ে টিকাটির কার্যকারিতা আরও উন্নত করার সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments