Friday, March 13, 2026
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
HomeCampusবাকৃবিতে নিরাপদ সবজি উৎপাদনে বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বাকৃবিতে নিরাপদ সবজি উৎপাদনে বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

Print Friendly, PDF & Email

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি অনুষদীয় কনফারেন্স হলে (১০মার্চ ২০২৬) মঙ্গলবার “Development of commercial biopesticide based on native Entomopathogenic Fungi (EPF) for safe vegetable production through Academia-Industry collaboration” শীর্ষক প্রকল্পের এক ইনসেপশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন’(HEAT) প্রকল্পের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।

কীটতত্ত্ব বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. কৃষ্ণা রানী দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন: প্রফেসর ড. জিএম মুজিবর রহমান, ডিন, কৃষি অনুষদ, ।প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশাররফ উদ্দিন ভূঞা, পরিচালক, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখা, বাকৃবি।
তৌফিক আহমেদ খান, অতিরিক্ত পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।মো: মাহবুব আনাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, লাল তীর সীড লিমিটেড ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রজেক্ট ASPM প্রফেসর ড.মো: আমীর হোসেন। মূল প্রবন্ধ (Keynote Speech) উপস্থাপন করেন প্রকল্পের সাব-প্রজেক্ট ম্যানেজার (SPM) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন হাওলাদার। তিনি দেশীয় ‘এন্টোমোপ্যাথোজেনিক ছত্রাক’ (যেমন: Beauveria bassiana) ব্যবহার করে বাণিজ্যিকভাবে কার্যকর জৈব বালাইনাশক তৈরির বৈজ্ঞানিক ও টেকনিক্যাল দিকগুলো তুলে ধরেন এবং কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের মাঝে এ বিষয়ে উম্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে রাসায়নিক বালাইনাশকের পরিবর্তে জৈব বালাইনাশকের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন যে গবেষণার কাজে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত সব এলাকা তিনি ঘুরে বেরিয়েছেন। এদেশের কৃষক এবং কৃষির সমস্যা, কৃষকের পাশে থেকে তাদের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে তাদের অধিক আয় নিশ্চিতকরণ, একইভাবে কৃষকের যাতে সত্যিকার অর্থে মঙ্গল হয়, কৃষি যেন আমাদের সত্যিকার কৃষ্টি এবং সমৃদ্ধি চালিকাশক্তি হয়—এই অনুভূতিটুকু আমি অন্তর অন্তস্থল থেকে ধারণ করি। তিনি আরও বলেন যে সমস্যাটি নিয়ে এই মাল্টিমোড কোম্পানি এবং অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের যে পার্টনারশিপের কাজটি হবে সেখানে সুনির্দিষ্টভাবেই অনেক সম্ভাবনা লুকায়িত আছে।

এই যে কীটনাশক যেটা আপনারা ব্যবহার করেন বা বালাইনাশক ব্যবহার করেন সেটা কিন্তু আমাদের মাল্টি মোডের যিনি কর্তাব্যক্তি আছেন উনি কিন্তু বললেন যে গ্রামের মানুষ বা কৃষকরা কিন্তু সত্যিকার অর্থে এটাকে বিষই বলে। আমি নিজে শুনেছি। যার জন্য বিষ দিয়ে সেই বিষ যেন খাদ্যের সাইকেলে আমাদের শরীরে না ঢুকে সেরকম বায়োলজি সেরকম সায়েন্স মেইনটেইন করে কাজগুলো হবে। এই জাতীয় পার্টনারশিপ আমি মনে করি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।তিনি আরো বলেন যে সরকারের একটা বড় দায়িত্ব আছে যারা বিজনেসম্যান ইন্ডাস্ট্রি পার্টনার তাদের সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটির অংশ হিসেবে রিসার্চে অন্যদের সাথে যোগ করে ইউনিভার্সিটিগুলোকে সংযুক্ত করা।

উল্লেখ্য যে, এই প্রকল্পটি বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে এবং মাল্টিমোড গ্রুপ-এর শিল্প সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-গবেষক এবং কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments