Friday, May 1, 2026
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
HomeCampusহাবিপ্রবি আন্তর্জাতিক ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলনের সমাপন

হাবিপ্রবি আন্তর্জাতিক ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলনের সমাপন

Print Friendly, PDF & Email

ঋদ্ধি, হাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) আন্তর্জাতিক ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলনের সমাপনী হয়েছে। 

শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম-১ এ সন্ধ্যা ৬:৩০  টায়  পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে  উক্ত সম্মেলনটি সমাপন হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) হাবিপ্রবি ছায়া জাতিসংঘের আয়োজনে শুরু হওয়া তিনদিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনটিতে দেশের ৪৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩১০ জন শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেছিলেন।  

উক্ত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাবিপ্রবি উপাচার্য  প্রফেসর ড. মো. এনামউল্যা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  ট্রেজারার প্রফেসর ড. এম. জাহাঙ্গীর কবির, প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. শামসুজ্জোহা, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. এস.এম. এমদাদুল হাসান। আরো উপস্থিত ছিলেন  সংগঠনটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাবেক ও বর্তমান কমিটির সদস্যবৃন্দ। এছাড়াও বাহির থেকে আসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ডেলিগেটরা উপস্থিত ছিলেন। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাবিপ্রবি উপাচার্য  প্রফেসর ড. মো. এনামউল্যা বলেন, তোমাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়  তিনদিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনটি নিঃসন্দেহে সফল হয়েছে। আন্তর্জাতিক ছায়া জাতিসংঘের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম জানতে পারবে কিভাবে জাতিসংঘ কাজ করে। তারা যে মানবতা,পরিবেশ, সমাজ নিয়ে কাজ করে এই শিক্ষা নিয়ে তোমরা দেশ বিদেশে কাজ করতে পারবে। এমন সম্মেলনের মাধ্যমে তোমাদের গুণগত শিক্ষা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা তোমাদের পরবর্তী পেশাজীবনে কাজে দিবে। তোমরা এমন আয়োজনের মাধ্যমে শিখতে পারছো কিভাবে অন্যের সাথে আচরণ করতে হয়।কিভাবে অপরিচিত জনের সাথে পরিচিত হতে হয়। ভালো আচরণ করতে হয়। তোমরা জানতে পারছো কিভাবে মানবতা চর্চা করতে হয়, কিভাবে সমতার জন্য লড়তে হয়। তোমরাই গত বছর সমতার জন্য লড়ে একটি বিপ্লব বয়ে এনেছো। আমি তোমাদের সকলের মঙ্গল কামনা করছি। তোমরা বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেশ বিদেশের মানুষের সেবা করো।

১৮৫৫ সালের ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহকে কেন্দ্র করে এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছিল। সেখানে ৪৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণকারীরা তাদের নানা তর্ক ও যুক্তি উপস্থাপন করেন। তিনদিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত হওয়া সম্মেলনটিতে প্রথমদিন উদ্বোধনের মাধ্যমে শুরু হয়ে কমিটি সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দ্বিতীয় দিনে সেশনের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং শেষদিনে অংশগ্রহণকারীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে উক্ত অনুষ্ঠানটি শেষ হয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে তারা একটি বিশেষ নৈশভোজে অংশ নেয়।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments