হাবিপ্রবি প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিশেষ খাবারের আয়োজন করেছে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
শনিবার (২১ মার্চ) পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দুপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিশেষ খাবার বিতরণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. এস এম এমদাদুল হাসান, কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. মহিদুল হাসান, ইন্টারন্যাশনাল হলের হল সুপার প্রফেসর ড. মো. আদনান আল বাচ্চু।
বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টারন্যাশনাল হল প্রশাসন এবং দেশীয় শিক্ষার্থী যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করছেন তাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করেছে।
ইন্টারন্যাশনাল হলের হল সুপার প্রফেসর ড. মো. আদনান আল বাচ্চু বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সকলের মাঝে এক অন্যরকম আনন্দ বিরাজ করছে।দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পরে আজ সকলে পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন করছেন।আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশ থেকে এসে বেশকিছু শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেন।ঈদ আনন্দের দিনে তারা পরিবার থেকে দূরে ঈদ উপভোগ করছেন।তাই আমরা চেষ্টা করেছি তাদেরকে পরিবারের অনুভূতি দেওয়ার। তারা যেন মনে করে যে,আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে একটা পরিবার পেয়েছি। যে পরিবার আমাদে সুখে,দুঃখে খোঁজ খবর নেয়।যদিও পরিবারের অভাব দূর করা সম্ভব না।তারপরও তাদের ঈদ আনন্দ বর্ণিল করতেই আমাদের এই আয়োজন। অপরদিকে আমাদের অনেক দেশীয় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কারণে বাড়িতে যেতে পারেননি।তাদের জন্যও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিশেষ খাবারের ব্যাবস্থা করেছিলো।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা আমাদের আয়োজনকে সাদরে গ্রহণ করেছেন। তারা যেভাবে আমাদের আয়োজনকে গ্রহণ করেছেন এতে করে আমাদের আয়োজনের প্রতি অনুপ্রেরণা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও হল প্রশাসনের এমন আয়োজন সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।আমরা যারা বিদেশি শিক্ষার্থী রয়েছি তাঁদের জন্য আয়োজনটি একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে।এমন আয়োজন মনে করিয়ে দেয় আমরা আসলে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন নয়।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যে আয়োজন করেছে তা পরিবারের কোনো অংশে কম না।এর আগে শিক্ষকেরা আমাদের সাথে বসে ইফতার করেছেন। আজকে ঈদের দিন তারা আমাদের সময় দিলেন এবং বিশেষ আয়োজন করলেন এ জন্য কৃতজ্ঞতা না জানিয়ে পারছি না।
দেশীয় শিক্ষার্থীরা বলেন, সামনে চাকরির পরীক্ষা আছে সেজন্য বাড়িতে যায়নি যেন প্রস্তুতির সমস্যা না হয়। আবার অনেকে বিভিন্ন কারণে বাড়িতে যায়নি।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের কথা মাথায় রেখে যে আয়োজন করেছেন তা সত্যিই অনেক সুন্দর। এমন আয়োজন প্রশংসার দাবি রাখে।



