হাবিপ্রবি প্রতিনিধি: দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ইংলিশ ক্লাবের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি কাজী নজরুল ইসলাম ভবনের পঞ্চম তলায় ইংরেজি বিভাগের শ্রেণী কক্ষে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত নির্বাচনে ভিপি পদে ৩ জন জিএস পদে ২ জন এবং এজিএস পদে ২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
শিক্ষার্থীদের প্রত্যক্ষ ভোটে ১৭৫ ভোট পেয়ে মো. ইমরান হোসেন বেসরকারিভাবে ভিপি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সাজ্জাদুর রহমান ৮৮ ভোট পেয়েছেন অপর প্রার্থী আদনান ২৮ ভোট পেয়েছেন। জিএস পদে ১৭৯ ভোট পেয়ে মো. ফাইজ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রিমন ১১১ ভোট পেয়েছেন। ১৯৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মো. সজিব হোসেন সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী তানভীর ৯১ ভোট পেয়েছেন। ক্রীড়া সম্পাদক পদে তানজীম ১৮০ ভোট পেয়েছেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী রিপন ১০৯ ভোট পেয়েছেন। ২০১ ভোট পেয়ে মাহবুব তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী মেহেদী ৭৯ ভোট পেয়েছেন এবং ১৯৫ ভোট পেয়ে এসিস্ট্যান্ট রেজিস্ট্রার পদে মুনমুন নির্বাচিত হয়েছেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নিরব ৯৩ ভোট পেয়েছেন। অন্যান্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ২১-২৫ সেশন পর্যন্ত মোট ২৯২ জন ভোটার ছিল।
দুটি বুথে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে ইংরেজি বিভাগের প্রফেসর নওশের ওয়ান দায়িত্ব পালন করেছেন। সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফয়সাল হক এবং অত্র বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এ. এস. এম মাহবুবুর রহমান দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ বিভিন্ন নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করেছেন এবং শৃঙ্খলা রক্ষার কাজ করেছেন। সেখানে রোভার স্কাউটের সদস্যও দায়িত্ব পালন করেছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব প্রাপ্ত আনসার সদস্যও ছিলেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রফেসর নওশের ওয়ান বলেন, আমরা যথেষ্ট স্বচ্ছতার সাথে আমাদের নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। এখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক স্যারেরা এসেছিলেন। তারা পরিদর্শন করে গেছেন। আমাদের অনুষদের ডীনও পর্যবেক্ষণ করেছেন। এখানে রোভার স্কাউটের সদস্যরা ছিলেন, সাংবাদিক ছিলেন এবং বিভিন্ন প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট ছিলেন। কেউ দাবি করে বলতে পারবে না নির্বাচনে কোনো কারচুপি হয়েছে। আমরা ইংরেজি বিভাগ আজ একটি মডেল নির্বাচন উপহার দিয়েছি। সেইসাথে তিনি সকলকে সংযত আচরণ করার আহ্বান জানান। যেন, কেউ অতিরঞ্জিত কোনো কিছু না করে।
ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. দীপক কুমার সরকার বলেন, আমরা একটি সুশৃঙ্খল নির্বাচন উপহার দিতে পেরেছি। আশা রাখছি নতুন ক্লাবের নেতৃত্বে যারা এসেছে তারা সকলে মিলেমিশে কাজ করবে। শিক্ষার্থীরা আমাদের বিভাগের প্রাণ। আমাদের প্রত্যাশা সর্বদা তারা ভালো কাজের মাধ্যমে ইংরেজি বিভাগের নামকে উজ্জ্বল করবে।



