Tuesday, July 7, 2026
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
HomeAgricultureপ্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে সরকারের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে: পিএসসি সদস্য কেনেডি

প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে সরকারের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে: পিএসসি সদস্য কেনেডি

Print Friendly, PDF & Email

বাকৃবি প্রতিনিধি : বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) সদস্য ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি অর্থসংস্থান ও ব্যাংকিং বিভাগের অধ্যাপক এএসএম গোলাম হাফিজ কেনেডি বলেছেন, কৃষি খাতের প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গভীর আগ্রহ ও সুদূরপ্রসারী দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিগত ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন কৃষি কর্মসূচিতে কাজ করার সুবাদে আমি এই আন্তরিকতা খুব কাছ থেকে দেখেছি। প্রধানমন্ত্রীর এই কৃষি-দর্শনের সুযোগ আমাদের কাজে লাগাতে হবে। কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সদিচ্ছা রয়েছে। আপনাদের প্রাতিষ্ঠানিক যেকোনো সমস্যা বা গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব যদি যথাযথ উপায়ে তাঁর কাছে পৌঁছানো যায়, তবে তিনি অবশ্যই তার ইতিবাচক সমাধান করবেন।

সোমবার (৬ জুলাই) বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সৈয়দ নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে নবগঠিত স্কুল অব ভেটেরিনারি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি-এর ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নবগঠিত স্কুল অব ভেটেরিনারি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি-এর প্রতিষ্ঠাকালীন ডিন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য, ডিন পরিষদের আহ্বায়ক ও ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির মহাসচিব, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) সদস্য অধ্যাপক এএসএম গোলাম হাফিজ কেনেডি। সহ-সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রকিবুল ইসলাম খান। এছাড়া ভেটেরিনারি অনুষদের আটটি এবং পশুপালন অনুষদের পাঁচটি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নবাগত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাপক এএসএম গোলাম হাফিজ কেনেডি বলেন, মেধার বিকাশ ও জীবন গড়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় জীবনই সর্বোত্তম সময়। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সেই অনন্য সুযোগ করে দিয়েছে। এখানে যেমন মানসম্মত শিক্ষা ও গবেষণার চমৎকার পরিবেশ রয়েছে, তেমনি রয়েছে অসাধারণ প্রাকৃতিক আবহ, যা সচরাচর শহুরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দেখা যায় না। দেশ-বিদেশে খ্যাতিসম্পন্ন এখানকার দক্ষ শিক্ষক মণ্ডলী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম বড় গর্ব।

সহ-সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. রকিবুল ইসলাম খান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে যে শারীরিক চর্চার সুযোগ রয়েছে, সেগুলো পুরোপুরি কাজে লাগাতে হবে। সুস্থ না থাকলে পড়াশোনা করে বড় কর্মকর্তা হলেও তার প্রকৃত মূল্য থাকে না। তিনি শিক্ষার্থীদের সাঁতার কাটা, ব্যায়াম করা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মোবাইলের সংস্কৃতি ছেড়ে বাস্তব আনন্দের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। ভালো খেলোয়াড়, ভালো সাংস্কৃতিক কর্মী, ভালো ছাত্র এবং সর্বোপরি ভালো মানুষ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।

ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান বলেন, প্রায় ১৯টি বিভাগের ২০০ জন শিক্ষকের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় শিক্ষার্থীরা এই ডিগ্রি অর্জন করবে। এত বড় ও বহুমুখী শিক্ষা কাঠামোর কারণেই বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশে-বিদেশে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিকভাবে শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়ে আসছে।

তিনি বলেন, ‘স্কুল অব ভেটেরিনারি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি’র প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী হিসেবে দেশ ও পরিবারের কল্যাণে কাজ করার দায়িত্ব তোমাদের। সাময়িক আবেগ নয়, কঠোর পরিশ্রম ও নিয়মিত অধ্যবসায়ের মাধ্যমেই জীবনে সফল হওয়া সম্ভব।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments