Sunday, April 19, 2026
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
HomeCampusআন্তর্জাতিক পুরস্কার ‘ WHO's WHO BANGLADESH-2026’ সম্মাননায় ভূষিত হলেন গাকৃবির ভিসি প্রফেসর...

আন্তর্জাতিক পুরস্কার ‘ WHO’s WHO BANGLADESH-2026’ সম্মাননায় ভূষিত হলেন গাকৃবির ভিসি প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান

Print Friendly, PDF & Email

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ‘হুজ হু বাংলাদেশ-২০২৬’ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি) এর ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান। কৃষি ও মৃত্তিকা বিজ্ঞানে তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি এ সম্মাননা অর্জন করেন যা ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি দেশের কৃষি গবেষণা ও টেকসই উন্নয়নের জন্য এক গর্বের অর্জন। গতকাল ১৮ এপ্রিল (শনিবার) রাজধানী বনানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রফেসর ড. মোস্তাফিজুর রহমানের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন। অনুষ্ঠানে কৃষি, শিক্ষা, শিল্প, সাংবাদিকতা, সাহিত্যসহ মোট ১২টি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অবদান রাখা দেশের ১২ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘হুজ হু বাংলাদেশ’ এর প্রধান নির্বাহী নাজিনুর রহিম এবং সম্পাদক লুৎফুন নাহার তাপসীসহ দেশের নানা অঙ্গনের বিশিষ্টজন। পুরস্কার অর্জন বিষয়ে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, “এই সম্মাননা শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি বাংলাদেশের কৃষি, গবেষণা ও জ্ঞানচর্চার প্রতি একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। আমি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই ‘হুজ হু বাংলাদেশ’ কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে। এই স্বীকৃতি আমাকে আরও দায়িত্বশীল করে তুলেছে। আমার বিশ্বাস, টেকসই কৃষি উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষায় গবেষণাভিত্তিক উদ্যোগই হতে পারে আমাদের ভবিষ্যতের মূল শক্তি। আমরা সবাই মিলে একটি সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি এই প্রত্যয় নিয়েই আমি কাজ করে যেতে চাই।” বাংলাদেশের পরিবেশগত মৃত্তিকা বিজ্ঞানে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান। ২০০৪ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দিয়ে ২০০৮ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। তিনি শিক্ষাজীবনে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষিতে স্নাতক (১৯৮৮) ও মৃত্তিকা বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর (১৯৯৩) সম্পন্ন করে জাপানের চিবা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০০ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। আন্তর্জাতিক পরিসরে তাঁর গবেষণা বিশেষভাবে স্বীকৃত। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রণে তিনি বিদেশে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। চায়নিজ একাডেমি অব সায়েন্সেস ও কিং আবদুল আজিজ সিটি ফর সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ফেলোশিপ তাঁর গবেষণার স্বীকৃতি বহন করে। ইউএসডিএ, ড্যানিডা, ইউএসএইড, বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন সংস্থার অর্থায়নে মৃত্তিকা স্বাস্থ্য, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত প্রকল্পসমূহ দেশের টেকসই কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানী এবং ২০১৯ থেকে ২০২৪ এই ছয় বছর যাবৎ গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি) ও দেশের সেরা পাঁচজন কৃষি ও পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মধ্যে ধারাবাহিকভাবে স্থান অর্জনে সক্ষম হয়েছেন । উল্লেখ্য, ১৮৪৯ সাল থেকে যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গুণীজনদের জীবনগাঁথা সংরক্ষণ ও তাঁদের অবদানকে মর্যাদার সঙ্গে স্বীকৃতি দেওয়ার ঐতিহ্য বহন করে আসছে ‘হুজ হু’ যা বাংলাদেশে ২০১৬ সাল থেকে প্রতি দুই বছর অন্তর এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য কৃতী ব্যক্তিদের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের অনুপ্রেরণাদায়ী পথচলাকে সামনে এনে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের ধারা জাগ্রত করা এবং নতুন প্রজন্মকে মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা ও মানবিকতায় উদ্বুদ্ধ করা।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments